Super Hero origin: Batwoman

ব্যাটওম্যান নামে পরিচিত ক্যাথেরিন ‘কেট’ কেইন চরিত্রের স্রষ্টা লেখক এডমন্ড হ্যামিল্টন এবং চিত্রকর শেল্ডন মল্ডোফ। চরিত্রটিকে প্রথম ডিসি কমিক্সে দেখা যায় ২০০৬ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত ‘৫২’ কমিক্সের ষষ্ঠ সংখ্যায়।

Batwoman

কেট এবং তার যমজ বোন এলিজাবেথ কর্নেল জ্যাকব কেইন এবং তার স্ত্রী গ্যাব্রিয়েল এর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। কেইন দম্পতির উভয়ই ছিলন সেনাবাহিনী সদস্য, এছাড়াও তারা গোয়ন্দা বাহিনীর সাথেও যুক্ত ছিলেন। তাদের পদোন্নয়ন করা হলে তারা বেশ কয়েকটি শহর ও ঘাঁটি তে চাকরি করেন। জ্যাক অবশ্য প্রায়ই পরিবার থেকে দূরে কাজ করতেন।

কেইন পরিবার এসময় বেলজিয়ামে ব্রাসেলস শহরে বসবাস করছে, যেখানে কেইন দম্পতির কাজ চলছে ন্যাটোর সাথে। এসময় মেয়েদের দ্বাদশ জন্মদিনে গ্যাবি তাদের নিয়ে বাইরে ঘুরতে যায়। কিন্তু পথিমধ্যে রিলিজিয়ন অভ ক্রাইম নামে একদল সন্ত্রাসী তাদের আক্রমণ করে এবং তুলে নিয়ে যায়। গোয়েন্দারা সন্ত্রাসীদের ঠিকই সনাক্ত করতে পেরেছিল, এছাড়াও জ্যাককে উদ্ধারকারী দলের নেতৃত্বাধীন করা হয়। কিন্তু দেরী হয়ে যায়, সন্ত্রাসীদের হাতে মারা পড়ে গ্যাবি এবং বেথ। জ্যাক একমাত্র কেটকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন। কিন্তু চোখের সামনে মা-বোনকে খুন দেখে কেট মানসিকভাবে বেশ ভেঙ্গে পড়ে।

জ্যাক চেষ্টা করেন নিজের কন্যাকে তার বাজে দিনগুলো ভুলে যেতে। কেট বাবাকে খুশি করতে একজন ক্যাডেট হিসেবে ভর্তি হয় ইউনাইটেড স্টেটস মিলিটারি একাডেমিতে। সে একাডেমিতে উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রাখে এবং ব্রিগেড এক্সিকিউটিভ অফিসার পদমর্যাদা অর্জন করে। এরপর সে এয়ার অ্যাসল্ট স্কুল এবং ইউএস আর্মি এয়ারবর্ন স্কুল উভয়ই সম্পন্ন করে। নিজের কৃতিত্বের জন্য রিকোন্ডো ব্যাজ এবং সুপারিনটেনডেন্ট পুরস্কারের মতো সম্মানিত অর্জন লাভ করে।

এসময় তার সাথে আরেক ক্যাডেট সোফি মুরের সাথে গোপন সমকামী সম্পর্ক শুরু হয়। কিন্তু কিছুদিন পরই সম্পর্কটির ব্যাপারে সবাই সেনাবাহিনী জেনে ফেলে। তখন কেট বান্ধবীকে রক্ষা করার নিজের সমকমিতার ব্যাপারে স্বীকার করে নেয়। সেনাবাহিনী থেকে এজন্য তাকে বিচ্যুত করা হয়। তবে জ্যাক এব্যাপারে কেটকে ক্ষমা করে দেয়। কারণ অন্তত নিজেকে বাঁচানোর জন্য কেট কোন মিথ্যা বলেনি। কিছুদিন পরেই জ্যাক বিয়ে করে অস্ত্রব্যবসায়ী ক্যাথেরিন হ্যামিল্টনকে। ক্যাথেরিনের বিশাল সম্পত্তি কেটকে পরিণত করে একজন সমাজমুখী পানাসক্ত হিসেবে।

একদিন এক পার্টিতে গিয়ে তার সাথে পরিচয় হয় গোথাম পুলিশ সদস্য রেনে মন্টোয়ার সাথে। তার সাথে কেটের বেশ ভালো সম্পর্ক হয়, যা একপর্যায়ে গড়ায় প্রেমের দিকে। কিন্তু এই সম্পর্কও বেশিদিন টেকেনা। রেনে আর কেটের মধ্যে ঝগড়া হয়ে যায়। রেনে মুখের উপর বলে দেয় যে কেটের জীবন নিয়ে কোন পরিকল্পনা নেই। এমন মানুষের সাথে সে নিজের জীবন কাটাতে ইচ্ছুক নয়।

বেশিদিন যদিও লাগে না কেটের নিজের জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পেতে। একবার গোথামের এক অন্ধকার গলিতে বিপদ থেকে ব্যাটম্যান তাকে উদ্ধার করে। একে দেখেই কেট সিদ্ধান্ত নেয় ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করার। সে পরবর্তী দুবছর পৃথিবীজুড়ে ভ্রমণ করতে থাকে লড়াই শেখার জন্য। জ্যাক এক্ষেত্রে তাকে প্রচুর সাহায্য করেন সম্পত্তি এবং নিজের যোগাযোগের মাধ্যমে। এছাড়াও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন প্রোটোটাইপ অস্ত্রও মেয়েকে দিয়ে পরীক্ষামূলক ব্যবহার করাতে থাকেন তিনি। এভাবেই শুরু হয় ক্যাথেরিন কেইন এর ব্যাটওম্যান যাত্রা।

ডিসি কমিক্সের দুনিয়ায় ২০১১ সালে জেফ জোন্সের লেখা ফ্ল্যাশপয়েন্ট গল্পের মাধ্যমে বেশ ভালোরকম পরিবর্তন আনা হয়। গল্পগুলো শুরু থেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে নতুন পাঠকদের গল্পের চরিত্রগুলো বুঝতে সুবিধা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ব্যাটওম্যানের গল্পেও বেশ পরিবর্তন আসে। দ্য নিউ ৫২ নামে পরিচিত ডিসির এই নতুন গল্পধারায় ব্যাটওম্যানকে প্রথম দেখা যায় ২০১১ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত ব্যাটওম্যান কমিক্সের প্রথম সংখ্যায়। সংখ্যাটির লেখক এবং আঁকিয়ে ছিলেন তৃতীয় জেমস উইলিয়ামস।

এই গল্পে কেটের সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কৃত হওয়া পর্যন্ত কাহিনী আগের মতোই রেখে দেওয়া হয়। কিন্তু পরিবর্তন শুরু হয় এরপর থেকে। বহিষ্কার হওয়ার পরে কেট তার বিষণ্নতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করে। ‘নিজেকে খুঁজে পেতে’ এবং সামরিক বাহিনীর বাইরে একটি জীবন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করার জন্য সে বিশ্বের ভ্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

ভ্রমণের সময় মাল্টা উপকূলের কর‍্যানা নামের একটি অঞ্চলে কেটের সাথে ঘটে দুর্ঘটনা। একটি শিলার আঘাতে অজ্ঞান হয়ে জেট। পরে সাফিয়া নামের সেখানকার একদল গোষ্ঠীর নেত্রী কর্তৃত্ব তাকে উদ্ধার করা হয়। কেট এবং সাফিয়ার মধ্যে দ্রুতই একটি সম্পর্ক তৈরি হয় যা কিনা দ্বীপটির অধিকাংশ মানুষের ভালো লাগে নি। তারা মনে করে কেটের কারণে সাফিয়া তার দায়িত্ব থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সাফিয়াকে পছন্দ করা তাহানী নামের এক প্রেমিক কেটকে একটু বেশিই ঘৃণা করতো। একসময়ে সে কেটকে হত্যা করার চেষ্টাও করে।
এসব ঘটে যাওয়ার পর সাফিয়ার সাথেও তার সম্পর্কের অবনতি ঘটলে সে সেই স্থান থেকে চলে আসে।

একসময় কেট গোথাম সিটিতে ফিরে আসেন এবং এবার রেনে মন্টোয়ার সাথে সম্পর্কে জরিয়ে যায়। এবং বলা বাহুল্য, খুব দ্রুতই তাদের সম্পর্ক খারাপ হয়। একদিন কেট নিজের সমস্ত দুঃখের কথা চিন্তা করছিল, এমনসময় তাকে একদল সন্ত্রাসী আক্রমণ করে। ওই সময় ব্যাটম্যান হাজির হয় এবং তাকে থেকে উদ্ধার করেন। ব্যাটম্যানকে দেখে কেট উপলব্ধি করে যে সে এখন বেশ জীবিত বোধ করছে এবং এই সতর্কতাটি তার জীবনের নতুন উদ্দেশ্য হতেও পারে।

এসবের প্রায় একবছর পর জ্যাক তাকে খুঁজে পায়। শুরুতে মেয়ের উপর বেশ রাগান্বিত থাকলেও তার ন্যায় নিয়ে লড়ার অদম্য উৎসাহ দেখে তিনি সেনা অভিযানে তার যাওয়ার ব্যাপারে সম্মত হন। জ্যাক এর সাবেক বিশেষ বাহিনী কমরেড দ্বারা পরিচালিত দলকে তিনি নিয়োগ দেন মেয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য।

কেট পরের তিন বছর ধরে প্রচণ্ড প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। তৃতীয় বছর শেষে জেক তাকে একটা শেষ অভিযান দেন। অভিযানটি হলো, একদল রাশিয়ান সন্ত্রাসী একটি পরিবার অপহরণ করেছে। কেট তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসবে, এবং এই অভিযান পুরোটা সে একাই চালাবে। অভিযানে যেয়ে সে দেখে যে সন্ত্রাসীরা পরিবারের সকল সদস্যকে ইতিমধ্যে হত্যা করে ফেলেছে। এটি দেখার পর কেটের রাগ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং সন্ত্রাসী দলের নেতাকে প্রচুর মারধর করতে শুরু করে। লোকটাকে পুরো মেরে ফেলতে যাবে এমনসময় সে দেখতে পায় যে লোকটি আর কেউ নয়, তারই বাবা। পুরো অভিযানটি ছিল জালিয়াতি; একটি পরীক্ষা যা প্রমাণ করবে যে কেট কি নিজেকে সীমা অতিক্রম করা থেকে থামাতে পারে কিনা। এটির পরই কেটের আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাটওম্যান হিসেবে যাত্রা শুরু হয়।

কেট একজন সাধারণ মানুষ। তার কোন অতিমানবিয় ক্ষমতা নেই। তবে কঠোর প্রশিক্ষণ এবং ইচ্ছাশক্তির জোরে সে নিজেকে নিয়েছে সাধারণ যেকোন মানুষের চেয়েও উচ্চপর্যায়ে। ব্রিটিশ স্পেশাল এয়ার সার্ভিস, ইউ.এস নেভি সীল হলো তার প্রশিক্ষণের প্রধান ক্ষেত্র। এছাড়াও ওয়েস্ট পয়েন্টে থাকাকালীন সময়ে বাবার সাহয়তাও ছিলো প্রচুর।

ব্যথা সহ্য করে নেওয়ার ক্ষমতা কেটের প্রচুর। বহুবার তাকে মারাত্মকভাবে আহত অবস্থায় শত্রুদের মুখোমুখি হতে দেখা গিয়েছে। এমনকি একবার সরাসরি তার হৃৎপিণ্ডে ছুরিকাঘাত করার পরও সে নিজের লড়াই থামায়নি একটুও। উল্টো বুক থেকে ছুরিটা বের করে ফেলেছিলো।

অ্যাক্রোব্যাটিকেও কেট বেশ পারদর্শী। খুব সহজেই সে বড় দেয়াল কিংবা ছাদ টপকিয়ে অন্যপাশে চলে যেতে পারে। এক্ষেত্রে তার দক্ষতাকে কখনও কখনও রবিন ও নাইটউইং নামে খ্যাতি পাওয়া ডিক গ্রেসনের দক্ষতার সাথে তুলনা করা হয়। এছাড়াও তার মার্শাল আর্ট এবং মানবদেহের গঠনের উপর দক্ষতা বেশ সমাদৃত।

যন্ত্রপাতি ব্যবহারে কেটের উপর রয়েছে তার বাবার অগাথ আশির্বাদ। সেনাসদস্য হওয়ার ফলে জেকও নিজের মেয়েকে দারুণ সব অস্ত্রের যোগান দিতে পেরেছেন যেগুলোর সবই অমরণঘাতি। এছাড়াও তার ব্যাটওম্যান স্যুটটিও সম্পূর্ণ আধুনিক। এটি গুলিরোধী হওয়া ছাড়াও এরমধ্যে আছে জিপিএস ট্র‍্যাকার, রেডিও, বায়োমনিটর ইত্যাদি। স্যুটটির পায়ের দিকে রয়েছে একটা নেটওয়ার্ক সিস্টেম যা তার বাসগৃহে থাকা কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত। এটি ব্যবহৃত হয় অভিযানে পাওয়া তথ্য পরীক্ষা এবং সংরক্ষণ করতে। এছাড়াও এই স্যুটে মাঝেমধ্যেই বেশকিছু খলনায়কের পছন্দের খেলনা দেখা গিয়েছে। যেমন ইলেক্ট্রোকিউশনার এর টেজার গ্লাভ, স্কেয়ারক্রো এর ফিয়ার টক্সিন ইত্যাদি।

*কেট একজন ইহুদী ধর্মাবলম্বিনী। তাকে একবার ইহুদী ধর্মের পবিত্রতম উৎসব হনুকা পালন করতে দেখা গিয়েছে।

*কমিকবুক জগতে সর্বকালের অন্যতম সেরা চিত্রকর হিসেবে খ্যাতি পাওয়া অ্যালেক্স রসকে একবার বিখ্যাত কিছু অ্যানিমেশনের লেখক পল ডিনি একটা নেতিবাচক সত্ত্বাধারী ব্যাটগার্লের ডিজাইন করতে বলেন। কাহিনী অনুসারে এই ব্যাটগার্ল হবে খলনায়ক রা’স আল ঘুলের ল্যাজারাস পিট থেকে নিজের প্যারালাইসিস সারিয়ে তোলা ব্যাটগার্ল। ঘটনাচক্রে কোন অ্যানিমেশনেই এই গল্পটা আনা হয়নি। তবে অ্যালেক্স রসের করা ডিজাইনটি একসময় ব্যাটওম্যানের ডিজাইন হয়ে যায়।

*প্রেমের সম্পর্ক বেশিদিন না টিকলেও পুলিশ কর্মকর্তা রেনে মন্টোয়ার সাথে প্রায়ই কেটকে অপরাধ দমনের অভিযানে দেখা গিয়েছে।

*রেনে মন্টোয়া ছাড়াও ডিসির আরেক বিখ্যাত নারী পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাগি সয়্যারের সাথেও কেটের সম্পর্কে জড়ানোর ইতিহাস বিদ্যমান। এই সম্পর্ক অবশ্য বেশ ভালোই চলেছিলো। নিউ ৫২ তে দেখা গিয়েছিলো যে ম্যাগি কেটের বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করছে।

*ফাইনাল ক্রাইসিস গল্পে দেখা যায় ব্যাটওম্যানকে ডার্কসাইড নিজের কব্জায় নিয়ে ফেলেছে। তাকে ক্যাটওম্যান, ওয়ান্ডার ওম্যানদের সাথে ডার্কসাইডের ননারীদল ‘ফিমেল ফিউরি’তে দেখা যায়।

*ডিসি কমিক্স: বম্বশেলস নামক কমিকে দেখা যায় কেটের একটি ভিন্নরূপ। এখানে শুরুতে সে একজন বাস্কেটবল দলের সদস্য থাকে। এমনসময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজলে দে ব্যাটওম্যান পরিচয়ে নেমে পড়ে নাৎসিদের দেখে নিতে। পরে আমান্ডা ওয়ালার কর্তৃক বম্বশেলস প্রজেক্টে নিযুক্ত হয়।

*এছাড়াও বিখ্যাত গেল ইঞ্জাস্টিস: গডস অ্যামং আস এর একই নামের পূর্বের কাহিনী নিয়ে তৈরি কমিকে দেখা যায় ব্যাটওম্যান এর আরেকটি সংস্করণ।

*ব্যাটওম্যানকে রূপালী পর্দায় প্রথম দেখা যায় ব্যাটম্যান: ব্যাড ব্লাড অ্যানিমেশনে। এটিতে ব্যাটওম্যানের কণ্ঠ দেন অভিনেত্রী ইয়োহোনে স্ট্রাহোভস্কি। এটিই ব্যাটওম্যানের এপর্যন্ত একমাত্র পর্দায় উপস্থিতি।

*২০১৮ সালের ডিসেম্বর টিভিচ্যানেল সিডব্লিউ-এ সম্প্রচারিত হতে যাওয়া, অ্যারোভার্স নামে পরিচিত ডিসি টিভিসিরিজের বাৎসরিক ক্রসওভারে ব্যাটওম্যানকে আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এটিই হবে ব্যাটওম্যানের লাইভ অ্যাকশনে প্রথম আগমন।

*ক্রসওভারের পর ২০১৯ সাল থেকে একই টিভিচ্যানেলে সম্প্রচারিত হবে ব্যাটওম্যানের নিজস্ব টিভিসিরিজ। ব্যাটওম্যান তথা ক্যাথেরিন কেইন চরিত্রে নেওয়া হয়েছে অভিনেত্রী রুবী রোজকে।

*এছাড়াও ডিসি ইউনিভার্স অনলাইন এবং লেগো ব্যাটম্যান ৩: বেয়ন্ড গোথাম নামক গেমে ব্যাটওম্যানকে দেখা গিয়েছে।

*বিখ্যাত ব্যাটম্যান গেম আর্কহাম নাইটে একবার কেট কেইন নামটা শোনা যায়

#TEAM MLOBD 🇧🇩
Ask laftan anlamaz Full Turkish Movie Review

kaspermoviesSuperheroes Originsইতিবৃত্ত অফ Super Hero Origin: Batwoman
Super Hero origin: Batwoman ব্যাটওম্যান নামে পরিচিত ক্যাথেরিন ‘কেট’ কেইন চরিত্রের স্রষ্টা লেখক এডমন্ড হ্যামিল্টন এবং চিত্রকর শেল্ডন মল্ডোফ। চরিত্রটিকে প্রথম ডিসি কমিক্সে দেখা যায় ২০০৬ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত ‘৫২’ কমিক্সের ষষ্ঠ সংখ্যায়। কেট এবং তার যমজ বোন এলিজাবেথ কর্নেল জ্যাকব কেইন এবং তার স্ত্রী গ্যাব্রিয়েল এর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।...