The Attacks of 26/11 (2013) বলিউডি বানিজ্যিক ঘরাণায় এটি একটি ব্যতিক্রম মুভি

বিষয়টা যদি ঠিকঠাক বোঝা না যায়, তা হলে বলি: বিষয় যেখানে দুর্বল, সেখানেই টেকনিক দিয়ে ম্যানেজ করার একটা বাড়াবাড়ি রকম ইচ্ছে তৈরি হয়৷ এবার আপনি যদি ‘রাম গোপাল ভার্মা কি আগ’, ‘ফুঁক’ বা ‘নট আ লভ স্টোরি’ দেখেন, তা হলেই বুঝবেন কী বলতে চাইছি৷ আর বিষয়টা আরও বিশদে বুঝতে গেলে আপনাকে ‘২৬/১১’-ও দেখতে হবে৷ কারণ প্রয়াত বিলাসরাও দেশমুখের সঙ্গে মুম্বইয়ের তাজ হোটেল চত্বরে রামবাবুর বিতর্কিত ‘টেরর ট্যুরিজম’ সত্ত্বেও একটা কথা অনস্বীকার্য- ভদ্রলোক ২০০৮ সালে, সেই ধ্বংসলীলার মধ্যেও একটা দুর্দান্ত সিনেমার মসলা দেখতে পেয়েছিলেন এবং ব্যাপারটা ভালো করে পর্যবেক্ষণ করার ত্রুটি রাখেননি৷ সিনেমা যদি শিল্প হয়, এ হল শিল্পের খাতিরে হূদয়হীনতা (অন্তত মিডিয়ার কাছে সে সময় তা-ই মনে হয়েছিল)৷ তার ফল যদি ইতিবাচক হয়, তা হলে একটা পর্যায়ে এসে সেই হূদয়হীনতাকেও গ্রহণযোগ্য মনে হয়৷
The Attacks of 26/11

কেন গ্রহণযোগ্য? তার কারণ বলিউডি বানিজ্যিক ঘরাণায় এটি একটি ব্যতিক্রম৷ প্রেম-প্রণয়-বন্ধুত্ব-মোচড়-ম্যাচিশমো-আইটেম গান-এর ভীড়াক্কার দুনিয়ায় ‘২৬/১১’ একটি সত্‍ ডকু-ফিচার৷ এটা বলতেই হবে, যে ঘটনা ঘটে গেছে, যার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ আমরা জানি, যা নিয়ে উইকিপিডায়ায় একটা গোটা পাতা আছে, যার প্রত্যেকটা ছবি, যতটা কাছ থেকে পারা যায় আমাদের ড্রইংরুমে ঢুকে পড়েছে, যে গুলির আওয়াজ সারা ভারত ২০০৮ সালের এক বুধবার সারা রাত ধরে শুনেছে, এবং তারপরও দু’দিন ধরে দেখেছে যে ধ্বংসলীলা, একমাত্র সেই ঘটনাকে পাথেয় করে একটা গোটা ছবি বানাতে গেলে, এবং তার প্রেক্ষিতে বক্স অফিসে ঝনঝনানির শব্দ শোনার আশা করলে মাথা যেমন লাগে, তেমন সাহসও লাগে৷ বক্স অফিস কী বলবে, তা আর দিন দু’য়েকের মধ্যেই পরিষ্কার হবে, কিন্ত্ত ভার্মা যে মাথা খাটিয়েছেন এবং অবশ্যই সত্ থেকেছেন (‘টেরর ট্যুরিজম’ বিতর্ক এখনও পিছু ছাড়ছে না- মুক্তির আগে তাঁদের জন্য একটি স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে মুম্বইয়ের সরকারি আমলা আর রাজনীতিকরা নাকি শেষ পর্যন্ত আসতেই অস্বীকার করেন), তা স্বীকার করতেই হয়৷ তাই আরব সাগরে নৌকো বদলানো, মাঝিমাল্লাদের মারা, কোলাবায় অবতরণ, দুটি দলে ভাগ হয়ে শহরে ছড়িয়ে পরা, তারপর লিওপোল্ড কাফে, তাজ মহল হোটেল, ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, কামা হাসপাতাল আক্রমণ, বুলেটবৃষ্টি, মৃতদেহের পাহাড়, এবং শেষ পর্যন্ত নাকাবন্দীতে আটকে এক আতঙ্কবাদীর মৃত্যু আর আজমল কাসভের পাকড়াও হওয়া- সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খ দেখানো হয়েছে৷ এমনকি ভিলে পার্লের ট্যাক্সি বিস্ফোরণও কী ভাবে হল, তার একটা ঘটনাক্রম তৈরি করা হয়েছে৷ কন্ত্তি নরিম্যান হাউজ বা ওবেরয় ট্রাইডেন্ট আক্রমণের কাছাকাছিও যাওয়া হয়নি৷ কারণ ওই দু’টো জায়াগায়, সেই বিতর্কের পর রামবাবু আর ঢুঁ মারার সাহস দেখাননি৷

প্রশ্ন আসতেই পারে, যে সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ, কাসভের বক্তব্য, টেলিভিশনের খবর- সবই তো ছিল ভার্মার হাতে৷ তা হলে ডকু-ফিচার করা তো সহজ!

The Attacks of 26/11 (2013)
Director : Ram gopal varma
IMDb : 6.8/10
My rating : 7.6/10

#TEAM MLOBD 🇧🇩
Ask laftan anlamaz Full Turkish Movie Review

kaspermoviesBollywood Movies ReviewThe Attacks of 26/11
The Attacks of 26/11 (2013) বলিউডি বানিজ্যিক ঘরাণায় এটি একটি ব্যতিক্রম মুভি বিষয়টা যদি ঠিকঠাক বোঝা না যায়, তা হলে বলি: বিষয় যেখানে দুর্বল, সেখানেই টেকনিক দিয়ে ম্যানেজ করার একটা বাড়াবাড়ি রকম ইচ্ছে তৈরি হয়৷ এবার আপনি যদি ‘রাম গোপাল ভার্মা কি আগ’, ‘ফুঁক’ বা ‘নট আ লভ স্টোরি’ দেখেন,...